ভজন ১

ও দয়াল প্রভু তুমি দয়া কর হে
আমি যে লয়েছি তোমারি স্মরণে

তোমার কাঙাল ডাকছে তোমারে
দাওগো তুমি দর্শন দয়া করে,

তুমি যে মহান সর্বশক্তিমান সেই পরমেশ্বর
তোমার সন্তাদের করগো দয়া ওগো পরমেশ্বর

আমি হৃদয় থেকে ভক্তি ভরে করিগো প্রার্থনা,
তুমি বলে দাও কোথায় গেলে পাব আমি শান্তির ঠিকানা

তুমি করুনাময় তুমি যে মঙ্গলময় পরমেশ্বর
দাওগো তুমি দর্শন দয়া করে ওগো পরমেশ্বর

অন্নহীনে অন্নদাও দুর্বলের দাও শক্তি
দীনহীনদের দিয়া কর পাপ থেকে কর মুক্তি

ও দয়াল প্রভু

ভজন ২

যীশুর নামে ডেকে পিতা তোমায় পেয়েছি
বন্দি খাঁচা থেকে আমি মুক্তি পেয়েছি,

অন্ধকারের কারাগারে ছিল যে মোর মনটা
প্রেমের চাবি দিয়ে তুমি বাজালে ছুটির ঘণ্টা

আমি তোমায় ভালোবেসে তোমার প্রেমে পরেছি
আমি তোমার প্রেমে পাগল হয়েছি,

গোলাপের কাঁটা আছে তবু ভালোবাসি
তোমার পথে বাধা আছে তবু ছুটে আসি,

জগৎ বাসি বলবে  কী জানি না আমি,
তবু আমি তোমার প্রেমে পাগল হয়ে ছুটে যে আমি

একি প্রেম দিলেগো পিতা বড়ই চমৎকার
প্রেমের দ্বারা জিতে নেব মহান পুরস্কার

যীশুর নামে

ভজন ৩

সুরেরি ডালি সাজিয়ে পিতা এসেছি তোমারি ভবনে
গাইব তোমারি ভজন গান এই সুন্দর দিনে,

কন্ঠেতে যে এত সুর কখন আগে পাইনি
এ ভাবে পিতার ভজন গাইব আগে ভাবিনি

কোকিল যে কুহু ডাকে সুর তুমি দিলে
আমি ওযে ভজন গেয়ে উঠি সেই সুর তুমিই যে দিলে,

পিতা তোমার সুরের ছন্দে আছে কত যে শক্তি
এই ভজন গেয়ে রোগ থেকে পেলাম যে মুক্তি

তানপুরার তারে বেজে উঠে সুরের ঝংকার
পিতা তুমি সুর দিয়ে বিনাশ কর সয়তানের হুংকার

পিতারি নামেতে তোরা জয়ধ্বনি দে বাজারে বাদ্য
যাতে করে সয়তান পালাতে বাধ্য।

সুরেরি ডালি –

ভজন ৪

যতই আসুক ঝড় বা তুফান
পিতার প্রতি বিশ্বাস রাখো অফুরান

জীবন যুদ্ধে তুমি থেমে যেও না
সবাই ছেড়ে গেলোও পিতা ছেড়ে যাবে না,

ভয় পেয়না আকাশে কালো মেঘ দেখে
ঐ দেখো আড়ালে যে সূর্য হাসে

পরীক্ষা যতই আসুক ধৈর্য ধর
জীবন মুকুট পাবেই তুমি এই বিশ্বাস কর

হাসি, কান্না, মায়ায় ভরা এই দুনিয়া
এরি মাঝে পিতাযে দেখাবে মহিমা

এসো আজ থেকে শপথ করি
পিতা গুরুর হাতটিকে আরো শক্ত করে ধরি

যতই আসুক –

ভজন ৫

ছোট্ট শিশু যেমন ঘুমায় মায়েরই কোলে
পুত্র কেমন হাসছে দেখ পিতারি কোলে,

তোরা দেখবি যদি আয় আয়রে চলে আয়,
মনের দুয়ার খুলে আয়রে ছুটে আয়,

পথ যে বড়ই পিছল পিজগুরুর হাতটি তোরা শক্ত করে
ধর এদিক ওদিক না বেঁকে সোজা পথে চল

শরৎ কালের সাদা মেঘ আকাশে ভাসে
মনকে তোরা পবিত্র কর পিতা থাকবে পাশে,

মৌমাছিরা গুনগুনিয়ে ফুলের মধু খায়
পিতার মধু খাবি যদি ভবনেতে আয়,

সত্যের পথে জ্যোতি আছে জানুক জনতা-পিতা
তুমি বুঝিয়ে দাও তোমার বাক্যের ক্ষমতা

ছোট্ট শিশু-

ভজন ৬

এই সুন্দর স্বর্নালী দুপুরে পিতাগুরু এসেছে এ দ্বারে
এই শুভক্ষন, এই শুভলগন চলে গেলে আর পাবি নারে,

তোমরা নিদ্রা হতে জাগো মনেরি দুয়ার খুলে
ও ভাইবোন তোমরা এসোগো দলে দলে পিতা এসেছে এ দ্বারে

দয়াময় প্রভু করুণাময় পিতা এসেছে এ দ্বারে,
পিতা তোমার আশীর্বাদের হাত রাখ সবার মাথার উপরে

যীশুর স্পর্শে তুমি মুক্তি পাবে, শান্তি পাবে, নতুন জীবন দেখতে পাবে,
পিতা তুমি যে মহান সর্বশক্তিমান দাও বুঝায়ে সকল সন্তানেরে,

শরৎ কালের শিশির ঘাসের ডগা দেয় ধুয়ায়ে
পিতার দ্বারে তোমার পাপের কালিমা যাবে মুছায়ে,

তোরা অর্ঘ্যডালা সাজায়ে আয় পিতারি দ্বারে
পিতাগুরু যে পেতেছে আসন চলে গেলে আর পাবি নারে।

দয়াময় প্রভু করুনাময় পিতা এসেছে এ দ্বারে
যীশুরি রং মেখে জীবনকে রঙিন করে নেরে

এই-সুন্দর

ভজন ৭

ও তোরা চিনলিনা হীরা চিনলিনা মতি
যীশু প্রভুই যে সেই জীবন জ্যোতি

অগ্নিশিখা নিয়ে মানুষ ঘুরছে দেশ বিদেশ
ও তোরা জানিসনা অন্তরেতেই আছে শান্তিরি দেশ

টাকা পয়সা তোর জীবন দেবে না
প্রভু যীশুকে তোরা হেলায় হারাস না,

ও তোরা মনের প্রাচীর ভেঙে দে
এসে দেখ পিতা গুরু আছে এই ভবনে,

ওরে যীশুতো খ্রীষ্টান নয় সেথে খ্রীষ্ট,
যে করতে পারে তোর ‘জীবনকে সন্তুষ্ট

জল যেমন পাবে তৃষ্ণা মেটাতে
প্রভু যীশুই পারে অগ্নিশিখা নেভাতে

ও তোরা চিনলিনা।

ভজন ৮

পিতা তোমায় ভালো বেসে গাইছি ভজন গান
আমায় তুমি ক্ষমা করো করগো পরিত্রান,

এসেছি মোরা অনেক আশা নিয়ে তোমার কাছেতে
মুক্তি পাব সফল হব তোমার আশিসে

অন্ধকে দিয়েছ পিতা দৃষ্টির শক্তি কুষ্ঠকে করছে পাপ থেকে মুক্তি
তাইতো আমি এসেছি পিতা তোমার কাছে পেতে মুক্তি

কত মন্দিরে ঘুরেছি পিতা পাইনি তোমার দেখা-
আজকে যখন পেয়েছি পিতা করনা আমায় একা

মন মন্দিরে পিতা থাকে এটাই জানতাম না
এখন যখন পেয়েছি পিতা তোমায় ছাড়ব না

বাঁশ বাগানের ফাঁকে সূর্য্যি মামার হাসি
পিতা তোমায় আমি বড়ই ভালোবাসি পিতা তোমায়

পিতা তোমায় পেয়ে জীবন আমার ধন্য হয়েছে
যুগে যুগে থেকো তুমি সবার অন্তরেতে।

ভজন ৯

কী বলে ডাকব পিতা তোমাকে
পিতা তুমি বলে দাও আমাকে,

আমি জীবন সংগ্রাম করতে বড়ই ক্লান্ত
আমাকে পথ দেখিয়ে করগো শান্ত

কত মন্দিরে মন্দিরে মাথা ঠুকেছি
তবু যে পাইনি সাড়া তোমারি,

আমি দীন হীন পথিক তোমার
পিতা তুমি দেখাও গো পথের দিশা আমায়

পথের দিশা হারিয়ে ছুটেছি শুধু এদিক ওদিক
পিতা তুমি বলে দাও কোথায় পাব তোমার হদিশ

অবশেষে দেখলাম এসে এই ভবনে
যীশু গুরুর নামে জকলে পিতা পাব তোমাকে

কী বলে ডাকব –

ভজন ১০

প্রভু মঙ্গল দীপ জ্বেলে অন্ধকার দাও ঘুচায়ে
আমারই অশ্রুধারা দাও মুছায়ে

আমি অভাগা জন ক্ষমা দিয়ে মুক্তি কর আমারে
প্রভু আমি যে এসেছি তোমারি দ্বারে

ভক্তি প্রেম আর ভালোবাসা দিয়ে
নাও তুমি আপন করে

প্রভু তুমিযে করুণাময় মুক্তিদাতা
কী করে ডাকলে আমি পাব তোমারি দেখা

পিতা তুমি পবিত্র আত্মা দাও
আমারি আত্মাম বাক্য ভরে দাও

দুঃখ যদি কখনও আসে
প্রভু থেকো আমারি পাশে


মঙ্গল দীপ

ভজন ১১

দিন যায় মাস যায় সময় যে যায় বয়ে চলে
পিতা গুরু ডাক দিয়েছে আয়রে দলে দলে,

ও ভাইকেনেরা দেখে যা পিতাগুরুর জাদুখেলা
এ সুযোগ পাবি না আর করলে অবহেলা

পিতা যে ডাকে তোকে,
দেরি না করে আয়রে ছুটে-

মনেতে বিশ্বাস রেখে যে আসে
গুরুমে জাদু দেখায় তাকে

ওরে সয়তানের বিনাশ দেখ গুরুর নামেতে
তোরা সাবিরে চমকে

ও তুই নাই বা হলি রূপবতী
পিতা যে চায় শুধু গুনবতী

ওতো স্বপ্ন নয় প্রত্যাশা যদি থাকে
সত্যি যদি করবি আয়রে পিতার কাছে

দিন যায় মাস যায়

ভজন ১২

চিত্ত সঙ্গত আরাধনা করে
জীবন কে সঁপে দাও পিতার তরে

পিতা যে পারে সবই দিতে
এটাই মানুষ বুঝল নারে,

জীর্ন ঝরা ফুল হয়ে থেকো না
এসো যীশুর নামে ফুটে উঠ না

পিতার অর্শিবাদে আমরা যে ধন্য
তোমরা পিতাকে করনা অমান্য

এসো ভাইবোন, এসো বন্ধুস্বজন একত্রিত হই
ফুল নয় ফল নয় শুধু মন দিয়ে পিতারি অঞ্জলি দিই

এসো জীবনের মঙ্গল দীপ জ্বালি
প্রভুর নামে পিতাকে স্মরণ করি

চিত্ত সঙ্গত-

ভজন ১৩

ও-ও-ও, আ-আ-আ

এসো জীবনের মঙ্গল দীপ জালি
প্রভুর নামে পিতার আরাধনা করি

প্রভুকে স্বীকার করে কর এই অঙ্গিকার
পিতারি প্রেম দিয়ে জিতে নাও পুরস্কার

সত্যের সঙ্গে থেকে করগো আপোষ
তবেইতো পিতার কাছে পাবে গো সন্তোষ

চাতক শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে চায়রে বারি
আমরা যেন পিতার অন্বেষনে দিয়গো পাড়ি

হাতছানিতে ভাকদেয়রে কত সয়তান
ফিরে তাকাস না পাবিনারে পরিত্রান

বাগানের ফুল লাগে কতশুভ কাজে
পিতাযে চিনেছে তোকে মানুষের কল্যানের তরে

ও-ও-ও. আ-আ-আ

এসো জীবনের

ভজন ১৪

অনেক খুঁজে পেয়েছি পিতার ঠিকানা
প্রভুর নামে স্থান দিলাম মনেরি আস্তানা

শত ব্যাথা সয়ে পেলাম পিতাকে
অন্তরেতে নিলাম তোমায় বরণ করে

পেলাম পিতাকে পেলাম গুরুকে
যুগে যুগে থেকো সবার অন্তরে

প্রভুর নামে ধন্যবাদে ডেকে পিতা তোমায় পেয়েছি
হৃদয় থেকে তাই সাক্ষি দিয়েছি

আমি পিতাগুরুকে পেয়েগেছি
পবিত্র আত্মানিয়ে বাঁচতে শিখেছি

ওগো তোমরা করনাগো ভুল
ভবনে এসে চিনেনাও পিভাবি গুন

অনেক –

ভজন ১৫

সত্যের পথে চলরে সবাই এগিয়ে চলি
পিতা গুরুকে ধন্যবাদ করি

যদি চাও ফুল হয়ে ফুটতে
ও তোরা আয়রে পিতার বাগানে

পিতা গুরু যে আছে এইখানে
ও তোরা দেখবি যদি আয়নারে

মনকে তোরা নির্মল আর পবিত্র কর
তবেইতো পিতার কাছে পাবিরে বর

হিংসা বিবাদ নয় নয় বিদ্বেষ
স্মরণে রাখবে পিতারি আদেশ

মনযে বড়ই দুষ্টু শুধু পালাই পালাই করে
পিতারি স্তব করে মনকে বেড়া দেরে।

তোরা রন সাজে সজ্জিত হও
পিতারি সাজ নিয়ে দুষ্টের দমন কর

ওরে পাবিরে শান্তি ওরে পাবিরে মুক্তি
প্রভুই যে দিতে পারে এই শুভ শক্তি

সত্যের পথে.

ভজন ১৬

এ জীবন ছিল আঁধার ঘেরা দিন যে যেত দুঃখ কষ্টতে
আলো দেখলাম খ্রীষ্ট যীশুতে

আমি ছিলাম বড়ই ক্লান্ত পথ ভোলা পথিক
প্রভু যীশু বোঝালে চলার পথ ছিলনা সঠিক-

ধন্য হল পুন্য হল আমার জীবন
প্রভু যীশুঁর ভালোবাসায়

বর্ষার আগমনে গাছেরা পায় প্রাণ
যীশুর আগমনে পেলাম নতুন জীবন,

খ্রীষ্ট যীশু তোমার এত প্রেমের মহিমা
কী করে বর্ণনা করি বলনা,

ওগো খ্রীষ্ট যীশু এসো সকল হৃদয় মাঝে
এভাবে থেকো যুগে যুগে সবার অন্তরেতে

এ জীবন ছিল-

ভজন ১৭

যীশু প্রভু হলেন মৃত্যুনঞ্জয়
ত্রিভূবনে আবত কেই নয়

যীশু প্রভু ছিল পিতারি অদ্বিতীয় পুত্র
এতে সন্দেহ করনা মাত্র

প্রভু তুমিযে জগতের পরিত্রার কর্তা
প্রমান দিয়েছ বার বার তুমি মুক্তি দাতা

তোমাদের মুক্তি দিতে কবর থেকে হল উত্থাপিত
প্রভুকে স্বীকার করে বিচূর্ণ হৃদয় কর সঞ্জীবিত

প্রভু যীশু তুমি যে যে খ্রীষ্ট পরম আত্মা ঈশ্বর
তোমার নাম যে পবিত্র তুমিযে সকলের ঈশ্বর

প্রভু তুমিথে স্বর্গের অনন্ত দ্বার
তোমরা প্রভুকে বিশ্বাস কর বিনিময়ে পাবে অনন্তদ্বার

যীশু প্রভু

ভজন ১৮

পিতা গুরুকে সম্মুখে রাখ
লক্ষ্যের অভিমুখে দৌড়াতে থাক

পিতাগুরুকে ধন্যবাদে স্মরণ করতে ভুলনা
দুষ্টু সয়তানকে স্থান দিয় না

দিনের শেষে আসে আঁধার
আঁধার কেটে হয় ভোর

চলার পথে বাধা যদি আসে
জানবে তবু পিতাগুরু আছে তোমার পাশে

আকাশে কালো মেঘ ভাসে
ওরে আড়ালে সূর্য হাসে

পাপের বোঝা আর বারিয়না একাল হয়েছে সম্পন্ন
পিতা গুরুকে ডাক মনের বাসনা হবে পূন্য

ভজন ১৯

এমো হৃদয় জুড়ে পবিত্র আত্মা এসো
যীশুর নামে এ জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলো

যীশুর নামে আশার প্রদীপ রাখ জ্বালিয়ে
আসুক যতই ঝড় দিয়না নিভতে

যীশুর নামে ধন্যবাদের মালা গাঁথব শুধু
সে মালা ছিড়যেতে দিয়না প্রভু

প্রভু যীশুর ভালোবাসায় জুড়াবে হৃদয়
তোমরা প্রভুকে রাখ মনের মনি কঠায়

দুঃখ মনের অন্ধকারে আলো তুমি জ্বালিয়েছিলে
সেই কথা জানাব সকল ভাইবোনেরে

প্রভু যীশু তোমার নামের প্রশংসার গান গেয়ে যাব
জীবন ভোর শুধু প্রশংসার গান আমি গেয়ে যাব

ভজন ২০

ফাগুনের হাওয়ার দেখ লেগেছে দোল
যীশুর রঙেতে আমি হয়েছি পাগল

অন্ধকারে আলোর দিশা খুঁজতে শুধু ছুটেছি তখন
ওরে আঁধার কেটে ভোর হল যে এখন

আলোর দীপ্তি নিয়ে এলো যীশু প্রভু
সেই আলোতে রাস্তা পেলাম ভুলবনা কভু

যীশু প্রভু প্রেমের বন্যা নিয়ে এল
ওরে চাঁদের হাসির বাঁধ ভাঙল

আজ আমি খুশিতে মত্ত হয়েছি
যীশুর প্রেমের বন্যায় ভেসে গিয়েছি

ও-তোমরা যদি চাও খুশিতে থাকতে
সামিল হয়ে যাও যীশুর প্রেমের বন্যায় ভেসে


ফাগুনের

ভজন ২১

পিতা আমাদের স্রষ্টা তিনিই মুক্তিদাতা
এসো হৃদয় ভরে যীশুর নামে করি পিতার আরাধনা

পিতাগুরু এসেছে এই ভবনে দিতে মুক্তি
ও তোমরা এস ভগ্ন হৃদয়ে পাবে গো শান্তি

পিতা গুরুই যে সেই মুশকিল আসান
দুঃখ বেদনার হবে অবশান

তোমরা জানাও প্রাণের ব্যাথা মনের কথা
পিতাগুরু ঘুচাবেরে সকল দুঃখ বেদনা যথা

নিজেকে তোমরা ভেবনা অভিনগন্য
পিতাগুরুর চরন ছুয়ে জীবন করো ধন্য

ওগো তোমরা পাপের সাগরে ডুবে যেওনা
জীবনে উদ্ধার পেতে পিতাগুরুর প্রতি রাখ আশা ভরসা

পিতা

ভজন ২২

ও প্রভুযীশু তুমিই আমার জীবন তরী
পার কর আমারে, আমিয়ে এসেছি দিতে পাড়ি

প্রভু তুমি বীনা এ তরী পার হবেনা
এই অভাগা পাপীত মুক্তি পাবেনা,

সমুদ্রে মাঝে জাহাজে আমি আছি বসে
ঐ জাহাজের মাস্কুল তুমি ধর এসে,

ও জীবন মাঝিরে তুমি পার কর আমারে
আমি যে শুধু চাই তোমার নৌকায় পাড়ি দিতে

জীবন মাঝি পাপের সাগরে ডুবতে দিয়না আমারে
আমি যে জীবন মাঝি করে পেতে চাইশুধু তোমারে

ভয় ভাবনা চিন্তাযত দূরে ফেলে এসেছি তোমার নৌকাতে
ওগো প্রেমময় প্রভু ধন্যবাদ করি পার কর আমারে

ও প্রভুযীশু তুমিই

Scroll to Top